ঢাকা, রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬

৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, ০২ সফর ১৪৪৮

আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন বাংলাদেশপন্থী নীতিবাদী দার্শনিক

আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন বাংলাদেশপন্থী নীতিবাদী দার্শনিক

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মতো এমন মানুষ আমাদের সমাজে সকল সময় খুব বেশি জন্ম গ্রহন করেন না। বহু কালে ভদ্রে জন্মগ্রহন করে তারা একটি প্রজন্মের নয়, বহু প্রজন্মের অনুপ্রেরনার উৎস হয়ে থাকেন। তাদের উপস্থিতি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাকেই কেবল বাড়ায় না; একটি জাতির নৈতিক শক্তিকে সমৃদ্ধ করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সত-সত্য ও মানবিকতার পথ দেখায়। বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ও মননশীল জগতের এক নির্মোহ, নির্ভীক ও প্রখ্যাত চিন্তাবিদ, যিনি তাঁর সততা, প্রগতিশীল চিন্তার অধিকারী ছিলেন তিনিই হলেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। দেশপ্রেমের কারণে `জাতির বিবেকের কণ্ঠস্বর` হিসেবে সমাদৃত এই মানুষটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত এই শিক্ষক ও লেখক, যিনি আজীবন দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের অধিকার ও সমাজ সংস্কারের পক্ষে সোচ্চার থেকেছেন।

প্রাসঙ্গিক থেকে আরও খবর

খালেদা জিয়া জাতির ‘ঐক্যের প্রতীক’

খালেদা জিয়া জাতির ‘ঐক্যের প্রতীক’

মানুষ মাত্রই মৃত্যুর স্বাধ গ্রহন করতে হবে। কিন্তু, এরই মাঝে কিছু মৃত্যু পাহাড়ের চাইতো ভাড়ি মনে হয়। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুটা অনেটা তাই। গৃহবধু থেকে রাজনীতিতে আগমন, দীর্ঘ নয় বছর স্বৈরাচারী সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন, আপোষহীন দেশনেত্রীতে রুপান্তর, দেশেষর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়া, ১/১১ এর মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সাথে আপোষ না করে দেশের মাটিতে অবস্থান, বিগত প্রায় ১৭ বছর স্বৈরাচারী শাসকের প্রতিহিংসার শিকার হয়েও আপোষ না করে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে জাতীয় বীরের সম্মানে ভূষিত হওয়া- সবকিছুই একটি কালের অধ্যায়। পৃথিবীতে খুব কম রাজনৈতিক নেতৃত্বই এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধরে রাখলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধরে রাখলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ

শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীতে হয়তো এটাই নিয়ম-কেউ চলে যাওয়ার পর তার মূল্যায়ন করতে বসা হয়। তিন-তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিরবিদায়ের পর শেখ হাসিনা পরিবারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকগোষ্ঠীর অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকাহত! কারও শোক প্রকাশ করতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু কথা হলো-রুচি, আভিজাত্য, ভদ্রতা ও শালীনতার অনন্য বৈশিষ্ট্যে খালেদা জিয়া যে অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিলেন, এটি কি আওয়ামী লীগ এবং তাদের সমর্থকরা আগে বুঝতে পারেননি? আসলে বুঝতে পেরেছিলেন দলটির প্রায় সব পর্যায়ের নেতারা। কিন্তু কারও বলার সাহস ছিল না।

আধিপত্তের ধারাবাহিকতা ও বাংলাদেশের সংগ্রাম

আধিপত্তের ধারাবাহিকতা ও বাংলাদেশের সংগ্রাম

মানবসভ্যতার ইতিহাস মূলত ক্ষমতা, আধিপত্ত, প্রতিরোধ ও মুক্তির ধারাবাহিক বিবর্তনের ইতিহাস। ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায়ে দেখা যায়—শক্তিশালী রাষ্ট্র বা গোষ্ঠী তাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এই নিয়ন্ত্রণ কখনো সরাসরি শাসনের মাধ্যমে, কখনো অর্থনৈতিক নির্ভরতা সৃষ্টি করে, আবার কখনো ভাষা, সংস্কৃতি ও চিন্তাচেতনার ওপর প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে কার্যকর হয়েছে। আধুনিক রাজনৈতিক পরিভাষায় এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াই আধিপত্ত (Hegemony) নামে পরিচিত।

হাদিকে হত্যার প্রচেষ্টা : আগামী নির্বাচন

হাদিকে হত্যার প্রচেষ্টা : আগামী নির্বাচন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরেরদিন রাজধানীতে প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করা হলো ভোটে সম্ভাব্য প্রার্থী, ইনকিলাম মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে। পতিত স্বৈরাচারের দোসরা টার্গেট করেই জুলাই অভু্যত্থানের অন্যতম সংগঠক ওসমান হাদিকে গুলি করেছে এতে কোন সন্দেহ নাই। সম্প্রতি দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকেই তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হলেও তিনি তাতে ভিত হন নাই। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, ভয় পেয়ে ৫০ বছর বেঁচে থেকে লাভ নেই, যদি এই বেঁচে থাকা সমাজে কোনো ইতিবাচক কোনো পরিবর্তন আনতে না পারে।