ঢাকা, বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

২৪ পৌষ ১৪৩২, ১৮ রজব ১৪৪৭

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধরে রাখলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১২:৫৮, ১ জানুয়ারি ২০২৬

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধরে রাখলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ

ফাইল ছবি

শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীতে হয়তো এটাই নিয়ম-কেউ চলে যাওয়ার পর তার মূল্যায়ন করতে বসা হয়। তিন-তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিরবিদায়ের পর শেখ হাসিনা পরিবারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকগোষ্ঠীর অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকাহত! কারও শোক প্রকাশ করতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু কথা হলো-রুচি, আভিজাত্য, ভদ্রতা ও শালীনতার অনন্য বৈশিষ্ট্যে খালেদা জিয়া যে অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিলেন, এটি কি আওয়ামী লীগ এবং তাদের সমর্থকরা আগে বুঝতে পারেননি? আসলে বুঝতে পেরেছিলেন দলটির প্রায় সব পর্যায়ের নেতারা। কিন্তু কারও বলার সাহস ছিল না।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে-সত্যি, তিনি অন্য নেতানেত্রীদের তুলনায় আলাদা ছিলেন। খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমান সম্পর্কে এমন কোনো অশ্লীল ও অশালীন কথা নেই, যেটি শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বলা হয়নি। ওইসব কথা নিয়ে তখন দেশের রাজনীতিতে নেতিবাচক আলোচনা ছিল। কিন্তু কারোরই একটি শব্দ উচ্চারণ করার সাহস ছিল না। তবে প্রতিহিংসার বদলে খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার কথা বলেননি। অশালীন ভাষার বিরুদ্ধে তিনি কখনো পালটা আশালীন ভাষা ব্যবহার করেননি। এমনকি শেখ হাসিনার পলায়নের পরও তার পরিবার বা তার সরকারের পতনের বিষয়ে কোনো ‘আস্ফালনসূচক’ কথা বলেননি খালেদা জিয়া। ৬ আগস্ট মুক্ত হওয়ার পর এক ভিডিও বার্তায় খালেদা জিয়া জাতীয় ঐক্যের ডাক দেন।

পরদিন আরেক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘শান্তি, প্রগতি ও সাম্যের ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণে আসুন আমরা তরুণদের হাত শক্তিশালী করি।’ ধ্বংস নয়, প্রতিশোধ নয়-ভালোবাসা, শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একইভাবে মায়ের পথ অনুসরণ করে তারেক রহমানও আজ পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে একটি ‘বাজে’ শব্দ উচ্চারণ করেননি। এটি না কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে, না রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দৃষ্টিকোণ থেকে। পারিবারিক এ শিষ্টাচার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা খালেদা জিয়ার কাছ থেকে তারেক রহমানের শেখা বলে দেশের রাজনীতিতে আলোচনা আছে।

অনেকের মতে, এটি দক্ষিণ আফ্রিকার রিভোনিয়া ট্রায়ালের ম্যান্ডেলার ঐতিহাসিক ভাষণের মতো-যেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘এটি সেই আদর্শ, যার জন্য আমি মরতেও প্রস্তুত।’ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ থেকে শুরু করে, ফখরুদ্দিন-মইন উদ্দিন, এমনকি শেখ হাসিনার সঙ্গে সমঝোতা করেও সুখ ও শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারতেন খালেদা জিয়া। কিন্তু একদিকে তিনি আপসকামিতা পরিহার করে আদর্শে অবিচল থেকেছেন, অন্যদিকে কখনই মেজাজ না হারিয়ে শালীনতা ও পরিশীলিত পথে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবিলা করেছেন। সব ধরনের উনকানির মুখে তিনি সংযত থেকেছেন। আর এভাবেই সমাজে সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতায় পরিণত হয়েছেন তিনি। গত কয়েক বছরে তারেক রহমানের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলেও একই আদর্শের যোগ্য উত্তরসূরি বলা যায়। এক সাক্ষাৎকারে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘তিনি বিভেদ নয়, বিশ্বাস করেন উন্নয়ন ও গণতন্ত্রে।’ তারেক রহমানও দেশের রাজনীতি বদলের স্বপ্ন দেখছেন। খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে গণতন্ত্রের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর জিয়া পরিবারের ভদ্র-বৈশিষ্ট্যের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বলা হচ্ছে-রাজনীতির ক্ষেত্রে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আপসহীন অবস্থান ধরে রেখে ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রেখেছিলেন খালেদা জিয়া। ফলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছিলেন। নিজের অজান্তেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন জাতির অভিভাবক। তিনি দেখিয়েছেন-কীভাবে উসকানির মধ্যে শান্ত থাকতে হয়। কীভাবে টিকে থাকতে হয় প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে। কীভাবে অন্যকে সম্মান করতে হয়, তাও শিখিয়েছেন খালেদা জিয়া।

মঙ্গলবার লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘খালেদা জিয়া অবশ্যই ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন। বলতে দ্বিধা নেই-এ মুহূর্তে খালেদা জিয়ার মতো ক্যারিশম্যাটিক নেতা দেশে আর নেই। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে জিতিয়ে এনে তিনি হন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। বলা চলে, একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জিতে আসা দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। এ অর্জন কখনো কেড়ে নেওয়া যাবে না। প্রতিক্রিয়ায় মহিউদ্দিন আহমদ খালেদা জিয়ার অনন্য বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করতে ভোলেননি। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিয়ে একটিও নেতিবাচক মন্তব্য করেননি। তার এ সৌজন্যবোধ, পরিমিতিবোধ ও উদারতা একটি মানদণ্ড হয়ে থাকবে।

এ প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমি কিন্তু তাকে (শেখ হাসিনা) লক্ষ্য করে কোনো সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ করি না। অথচ সংসদে বা সংসদের বাইরে কোনো সুযোগ পেলেই তিনি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ও পারিবারিকভাবে আক্রমণ করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন। আমি কোনো সময় তাকে লক্ষ্য করে বা ব্যক্তিগত আক্রমণ করে কথাবার্তা বলি না। তার পিতা বা পরিবার সম্পর্কে কখনো কোনো কথা আমি বলিনি। আমি মনে করি, এসব বলা ঠিক নয়।’

শেখ হাসিনার শাসনামলে সাড়ে ১৫ বছর খালেদা জিয়া এবং তার পরিবার সম্পর্কে দুর্নীতির মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে একধরনের ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা হয়েছিল। মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। সাজা দেওয়া হয়েছে তারেক রহমানকেও। প্রমাণিত হয়েছে-খালেদা জিয়া এতদিন ভাড়া বাসায় থেকেছেন। তারেক রহমান যে বাসায় (সেটিও সরকারের বরাদ্দ দেওয়া) থাকছেন, সেটি ছাড়া তাদের কোথাও কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নেই। দেশে নেই কোনো বাগানবাড়ি বা বিদেশের দামি জায়গায় নেই কোনো বাড়ি বা ফ্ল্যাট।

তারেক রহমানের সাদাসিধে চলাফেরা নিয়েও দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করেন-জিয়াউর রহমানের সততা ও আদর্শের যোগ্য উত্তরসূরি যেমন খালেদা জিয়া, তেমনই বাবা ও মায়ের সততার নিদর্শন অনুসরণ করে এগিয়ে চলছেন তারেক রহমান।

খালেদা জিয়া দেখিয়েছেন-চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কীভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অটল থেকে আপসহীন নেত্রী হিসাবে দেশের রাজনীতিতে আবির্ভূত হন। এরপর এক-এগারোর সরকারের চাপের মুখেও তিনি দেশ ছাড়েননি। সেদিন স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বাইরে আমার কোনো দেশ নেই, কোনো পরিচয় নেই।’ তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে স্বৈরাচারকে না বলতে হয়। কীভাবে পুনঃপ্রবর্তন করতে হয় সংসদীয় ব্যবস্থা। এছাড়া নারীশিক্ষার অগ্রযাত্রা, অ্যাসিড-সন্ত্রাস রোধ, দেশের শিল্পের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সংস্কার, যোগাযোগব্যবস্থায় বিপ্লব, মানসম্মত শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তার ভূমিকার কথা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়া গৃহবধূ থেকে নিজেকে শুধু বিএনপির জন্য অনিবার্য করে তোলেননি, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসাবে নিজেকে গড়ে তোলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা অর্থাৎ এরশাদবিরোধী আন্দোলনের পর ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হন। সংবিধানের ১২তম সংশোধনীর মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন ঘটে তার হাত ধরে। এরপর বহুদলীয় রাজনীতির পুনরুজ্জীবন অর্থাৎ সামরিক শাসন-পরবর্তী সময়ে বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে পুনর্গঠন করে শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে দাঁড় করান। সংসদীয় বিতর্ক ও বিরোধী রাজনীতির জায়গা তৈরি করতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে ইতিহাসে তিনি স্থান করে নিয়েছেন। এককথায়-বাংলাদেশ খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই মূলত সত্যিকার গণতান্ত্রিক একটি ধারা প্রচলনে মৌলিক ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের নারীশিক্ষায় যে গণজাগরণ, তার স্বীকৃতি বেগম খালেদা জিয়াকে দিতেই হবে।

কারণ, তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বৃত্তি চালু করে গ্রামীণ মেয়েদের জন্য অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেন, যা পরবর্তী সময়ে নারীশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া কেউ কেউ তাকে বাংলাদেশের নারী নেতৃত্বের একটি প্রতীক হিসাবেও দেখেন। বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের সম্ভাবনাকে দৃশ্যমান করে তোলেন। অনেকের মতে, এটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতেও তাৎপর্যপূর্ণ।

পাশাপাশি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের পথপ্রদর্শক বলা যায়। যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন; জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পুনরুদ্ধারে তার সেই সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ পরবর্তী প্রজন্মকে আলোর পথ দেখাবে বলে অনেকে মনে করেন। ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করলে তিনি ক্ষমতায়ও আসতে পারতেন-এমন আলোচনা আছে। কিন্তু তিনি আপস করেননি। শহীদ মঈনুল রোডের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে তাকে উচ্ছেদ করা হলে অত্যন্ত দুঃখ ও কষ্ট পাওয়া সত্ত্বেও তিনি ভেঙে পড়েননি। প্রতিকূল ওই পরিস্থিতির মধ্যে সেদিন তিনি শুধু মহান আল্লাহর দরবারে হাত তুলে এ ঘটনার বিচার চেয়েছিলেন!

আওয়ামী লীগ ও তার সমর্থকরা খালেদা জিয়াকে ভারতবিরোধী বলে প্রচার করে একধরনের ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে প্রমাণিত হয়েছে-শুধু ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকার টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এ দেশের উন্নয়নের জন্য ভারতের সঙ্গে চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থনও প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে খালেদা জিয়ার অবস্থান ছিল, ‘আমরা তো যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা ছোট হতে পারি; কিন্তু আমাদের একটা আত্মমর্যাদাবোধ রয়েছে। স্বাধীন দেশ হিসাবে আমরা মাথা উঁচু করে সম্মানের সঙ্গে বাস করতে চাই। সেজন্য আমরা সবার সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই। একটা বড় দেশ হিসাবে ভারতের সঙ্গে আমাদের সমস্যাগুলো সমমর্যাদার ভিত্তিতে নিরসন করার জন্য আমরা কাজ করতে চাই। কিন্তু বড় দেশ বলে ভারত যা বলবে, তা আমাদের মেনে নিতে হবে বা তারা জোর করে আমাদের ওপর কিছু চাপিয়ে দেবে-এটা আমরা মেনে নিতে পারি না।’

তার মতে, ‘যখন তারা বড় দেশ হিসাবে আমাদের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বা আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করে, একটি দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল হিসাবে সে অন্যায়গুলোর কথা তখন বাধ্য হয়ে আমাদের বলতে হয়। সেগুলো বলার কারণে যদি আমাদের ভারতবিরোধী মনে করা হয়, তাহলে আমার বলার কিছু নেই।’ তিনি বলতেন, ‘বিএনপি বাংলাদেশের জনগণ-সমর্থিত দল। বিএনপি সব সময় দেশ ও জনগণের স্বার্থরক্ষা করেই কাজ করে। আমরা কারও পক্ষে-বিপক্ষে নই।’ তিনি এটিও স্পষ্ট করেছেন, বিএনপি কারও পক্ষে নয়। পাকিস্তানের পক্ষেও না, ভারতের পক্ষেও না। আমরা বাংলাদেশের পক্ষে। আমরা বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল বলেছিলেন, ‘সাফল্য চূড়ান্ত নয়, ব্যর্থতা মারাত্মক নয়। এগিয়ে যাওয়ার সাহসই আসল।’ বিএনপি জনগণের পক্ষে এগিয়ে গেলে কখনো পথ হারাবে না।

উৎস: যুগান্তর

আরও পড়ুন