ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, ০৭ সফর ১৪৪৮

শেরপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ওএসডি

শাহরিয়ার মিল্টন, শেরপুর

প্রকাশ: ০১:২৯, ২৪ জুলাই ২০২৬

শেরপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ওএসডি

ডা. সেলিম মিঞা I ফাইল ছবি

শেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেলিম মিঞাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। তাকে ঢাকার মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল।
গত মঙ্গলবার ( ২১ জুলাই ) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলামের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।
ডা. সেলিম ২০২৪ সালের ১০ জুলাই নেত্রকোনার সিভিল সার্জন পদ থেকে বদলি হয়ে শেরপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, সাংবাদিক লাঞ্ছনা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে মানববন্ধনসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়। কিন্তু নানাভাবে তদবির করে তখন পার পেয়ে যান তিনি।

ডা. সেলিম বলেছেন, ‘আমি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানি না। তবে গত কিছুদিন ধরে নিজে থেকেই বদলির চেষ্টা করছিলাম। শেরপুরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে কাজ করতে গিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।’

শেরপুর সদর হাসপাতালের নতুন তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ডা. মুহাম্মদ এমরান হোসেনকে। তিনি এর আগে খুলনার বক্ষব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। তার বাড়ি শেরপুরের নকলা উপজেলায় এডা. সেলিম বলেছেন, ‘আমি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানি না। তবে গত কিছুদিন ধরে নিজে থেকেই বদলির চেষ্টা করছিলাম। শেরপুরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে কাজ করতে গিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।’

শেরপুর সদর হাসপাতালের নতুন তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ডা. মুহাম্মদ এমরান হোসেনকে। তিনি এর আগে খুলনার বক্ষব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। তার বাড়ি শেরপুরের নকলা উপজেলায় এবং তিনি আগামী রবিবার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

ওএসডির বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বাস্থ্যঅধিদপ্তরের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার সাহা। ডা.  সেলিমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে ডা. প্রদীপ বললেন, ‘বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ ভালোভাবে বলতে পারবে।’
 

আরও পড়ুন