রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২:০১, ২৪ জুলাই ২০২৬
ছবি:বাংলার চোখ
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় লটারীর মাধ্যমে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এলসিএস নারী শ্রমিক নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই লটারী কার্যক্রমের আয়োজন করে।
২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে অনুন্নয়ন বাজেটের “মেরামত ও সংরক্ষণ” এর অধীনে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের গরীব, অসহায়, দু:স্থ ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে “গ্রামীণ সড়ক” এর আওতায় নিয়মিত রক্ষনাবেক্ষণ কাজের জন্য লটারীর মাধ্যমে এই নারী শ্রমিক নির্বাচন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে প্রকাশ্যে আবেদনকারী প্রার্থীদের মধ্য থেকে লটারীর মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এলসিএস নারী শ্রমিক বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. ইসমাইল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসারব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাউল হক লিটন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান চন্দনা সারমিন রুমকি, কাশিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান বাবু, পারইল ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জাহিদ, উপজেলা এলজিইডি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আবেদনকারী প্রার্থী প্রমুখ।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. ইসমাইল হোসেন জানান, এলসিএস নারী শ্রমিক নিয়োগের নিমিত্তে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার চালানো হয়েছিলো। ইউনিয়নের যোগ্য নারী প্রার্থীদের সঠিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে উদ্বুদ্ধও করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত আবেদনপত্রগুলো যাচাই-বাছাই অন্তে বৈধ আবেদনপত্রের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে এবং শতভাগ স্বচ্ছতার মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে লটারীর মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
কার্যক্রমে উপজেলার সদর ইউনিয়ন থেকে পাওয়া ১৪টি আবেদনের মধ্য থেকে লটারীর মাধ্যমে ৮জন, কাশিমপুর ইউনিয়ন থেকে পাওয়া ১৮টি আবেদনের মধ্য থেকে ৬জন, গোনা ইউনিয়ন থেকে পাওয়া ৭টি আবেদনের মধ্য থেকে ৩জন, মিরাট ইউনিয়ন থেকে পাওয়া ৭টি আবেদনের মধ্য থেকে ৭জন, পারইল ইউনিয়ন থেকে পাওয়া ১৪টি আবেদনের মধ্য থেকে ৭জন ও কালীগ্রাম ইউনিয়ন থেকে পাওয়া ৭টি আবেদনের মধ্য থেকে ৪জন নারী শ্রমিক নির্বাচিত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রতি নারী শ্রমিক দৈনিক কাজের বিনিময়ে ৩৫০ টাকা করে মজুরি পাবেন। নিয়োগপ্রাপ্ত নারীরা নিজ নিজ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ সড়কগুলোর জরুরী রক্ষনাবেক্ষণের কাজ করবেন। যার কাজ তাকেই করতে হবে। যদি কোন নারী নিজের পরিবর্তে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করেন তাহলে সেই নারী শ্রমিককে বাদ দিয়ে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হবে।