স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২২:৫১, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি :সংগৃহীত
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিপিএলের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে একতরফা দাপট দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিপিএল ট্রফি ঘরে তোলে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
টস জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস। তবে সেই সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে রাজশাহী। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও ফারহান আহমেদের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮৩ রান। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে ফিরলেও তানজিদ ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে।
দ্বিতীয় উইকেটে কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৪৭ রান যোগ করেন তানজিদ। উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রান করে আউট হন। এরপরও থামেননি তানজিদ। দায়িত্বশীল ও বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের স্মরণীয় এক সেঞ্চুরি। ৬২ বলে ১০০ রানের ইনিংসে ছয়টি চার ও সাতটি ছক্কা হাঁকান এই বাঁহাতি ওপেনার। এটি ছিল চলতি বিপিএলে তার চতুর্থ সেঞ্চুরি এবং বিপিএল ফাইনালের ইতিহাসে তৃতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।
শেষ পর্যন্ত রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০ ওভারে সংগ্রহ করে ১৭৪ রান। চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন।
১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। মাত্র ১৮ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারায় তারা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় কোনো জুটিই গড়ে উঠেনি। মির্জা বেগ সর্বোচ্চ ৩৬ বলে ৩৯ রান করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামের ইনিংস থামে ১১১ রানে।
রাজশাহীর পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করেন বাঁহাতি পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচায় চারটি উইকেট নেন তিনি। এছাড়া হাসান মুরাদ তিনটি, জিমি নিশাম দুটি এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি উইকেট শিকার করেন।
এর মাধ্যমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল। এর আগে ২০১৯–২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চারবার শিরোপা জিতেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, তিনবার ঢাকা, দুবার করে রাজশাহী ও বরিশাল এবং একবার রংপুর রাইডার্স।