প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩:৪৩, ২ আগস্ট ২০২৬
ফাইল ছবি
৪বছরের শিশু রাগীব ইশরাক রিহানের জন্ম হয়েছিল সাংবাদিক দম্পত্তির পরিবারে। মা-বাবার কোল আলোকিত করেছিল সে। কিন্তু জন্মের কিছুদিন পরেই রিহানের শারিরীক জটিলতা দেখা দেয়। চিকিৎসকেরা নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানতে পারেন ছোট্র রিহানের হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠে দুটি ছিদ্র এবং ধমনীতে দুটি ব্লক রয়েছে। আনন্দ এক নিশিষেই হতাশায় পরিণত হয়। ছেলেকে বাঁচানোর চিন্তায় পড়ে যান বাবা-মা।
রিহানের বাবা ইখতিয়ার উদ্দিন আজাদ একজন সংবাদকর্মী। তিনি দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।
রিহানের হৃদরোগ শনাক্ত হওয়ার পর দেশেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অধীনে রিহানের চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসকেরা দ্রুত শল্যচিকিৎসার পরামর্শ দিলে দুই বছর বয়সে ভারতের বেঙ্গালুরুতে নারায়না হেলথ হসপিটালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী প্রসাদ শেঠির নেতৃত্বে গঠিত মেডিকেল বোর্ড রিহানের শল্যচিকিৎসা সম্পন্ন করে। শল্যচিকিৎসায় রিহানের হার্টের ধমনীর একটি ব্লক দূর করা হয়। সার্জারি পরবর্তী সময়ে অনেকটা সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে রিহান। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠে দুটি ছিদ্র ও ধমনীতে একটি ব্লক থেকে যাওয়ায় শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে শুরু করে। চিকিৎসকেরা বলছেন, অস্বাভাবিক ব্লাড সার্কুলেশন সিস্টেমের কারণে রিহান মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বেঁচে আছে। যতোই দিন যাচ্ছে রিহানের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে। দ্রুত শিশু রিহানের দ্বিতীয় শল্যচিকিৎসা করা প্রয়োজন।
ইখতিয়ার উদ্দিন আজাদ জানান, তাঁর ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ইতোমধ্যে তিনি ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। একবার বিদেশে গিয়ে ১০-১২ লাখ টাকা খরচ করে হার্টের অস্ত্রপচার করে এনেছেন। অস্ত্রপচার করে আনার পর কিছুদিন ভালো ছিল। কিন্তু আবার সমস্যা দেখা দিয়েছে। ডাক্তাররা বলছেন, আবারও বিদেশে নিয়ে অস্ত্রপচার করাতে হবে। বিদেশে নিয়ে জটিল এই অস্ত্রপচার করাতে অন্তত ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। বর্তমানে তাঁর পক্ষে ব্যয়বহুল এই চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব নয়। ছেলেকে বাঁচানোর জন্য সমাজের সচ্ছল মানুষদের সহায়তা কামনা করেন তিনি।
রিহানের চিকিৎসায় আর্থিক সাহায্যের জন্য বিকাশ (০১৭২৮৬৩৭৪৪০) করা যাবে। ব্যাংকে টাকা পাঠানোর ঠিকানা: মো. ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, হিসাব নং- ৪৮১৬০০২০৭৭০৮৬, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, পত্নীতলা শাখা, নওগাঁ।