ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬:২৯, ৮ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি :সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র ও সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এই আহ্বান জানান তিনি।
বদিউল আলম বলেন, ‘গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি রক্ষা করতে ভোটার হওয়ার অধিকার নিশ্চিতের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ভয় ভীতি নয় ভোটাররা যেন নিশ্চিত ও নিরাপদে ভোট দিতে পারে, সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।
নির্বাচনী অঙ্গীকারকে জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের একটি লিখিত চুক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চুক্তির বরখেলাপ হলে আদালতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়া উচিত। ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে।’
সংস্কার বাস্তবায়ন যদি না হয়, নির্বাচন হলেও গণতন্ত্র উত্তরণের পথ আসবে না বলে মন্তব্য করেন সুজনের সম্পাদক।
তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে গুম খুনের মতো ঘটনা আর না ঘটে। নারীদের সংরক্ষিত আসনের ব্যাপারে ঐকমত্যে পুরুষতান্ত্রিকতার জয় হয়েছে।’
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘চমৎকার কিছু সংস্কার প্রস্তাব আমরা পেয়েছি, তার বাস্তবায়ন অবশ্যই হবে। জামায়াতের দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংখ্যালঘু শব্দ ব্যাবহার করবে না। সবাইকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে দেখা হবে।’
জামাতের ইশতেহারগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তার পূর্ণ পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী কাঠামো থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এত কম সময় যথেষ্ট নয়। মব ভায়োলেন্স সংগঠিত হওয়ার পেছনে এর কারণ রয়েছে।’
ক্ষমতায় থাকতে চাওয়ার মানসিকতার জন্য দেশে সব কিছু নষ্ট হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন জুবায়ের। তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য উন্নত শিক্ষা ব্যাবস্থার কোনো বিকল্প নেই।’