ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২:৪২, ৮ জানুয়ারি ২০২৬
মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। ফাইল ছবি
গুম ও হত্যার ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সাক্ষ্য দেবেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী এ তথ্য জানান।
আজ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ আসামিপক্ষের বক্তব্য উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এ ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আসামিপক্ষের অব্যাহতির আবেদনের পর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বক্তব্য উপস্থাপন করেন। বক্তব্যে জিয়াউল আহসান সম্পর্কে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়ার দেওয়া সাক্ষ্যের বিভিন্ন অংশ তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর।
প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী বলেন, তিনি (ইকবাল করিম ভূঁইয়া) যখন সশরীর সাক্ষ্য দেবেন, তখনই আসলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। আমরা আজকে শুধু আমাদের সাক্ষ্যপ্রমাণ থেকে দেখিয়েছি যে জিয়াউল আহসানকে আজকে ডিফেন্স (আসামিপক্ষ) যেভাবে একজন প্রফেশনাল অফিসার (পেশাদার কর্মকর্তা) হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন তাদের সাবমিশনের মাধ্যমে, আমরা শুধু অতটুকু অংশই কোর্টে পড়েছি যে তার বাহিনীর প্রধান যিনি ছিলেন সেই সময়ে, এই জিয়াউল আহসান সম্পর্কে তার মনোভাব কী ছিল।
তিনি আরও বলেন, এই বিষয়টা...তার সাক্ষ্যপ্রমাণ রিড আউট (পড়ে শোনানো) করার মাধ্যমে আমরা দেখিয়েছি। তবে তিনি সাক্ষ্যে মূলত কী বলেছেন, সেটি যখন তিনি সশরীর সাক্ষ্য দেবেন আদালতে, তিনিই তখন বলতে পারবেন।
জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক মানুষকে গুম করে হত্যার ঘটনায় তিনটি অভিযোগ এনে গত ১৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিল প্রসিকিউশন।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে ২০২৪ সালের আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন।