ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩:০৫, ২৯ জুলাই ২০২৬
ছবি :সংগৃহীত
বগুড়ার এরুলিয়ায় অবস্থিত বিদ্যমান বিমানফিল্ডকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বিমানঘাঁটি ও দক্ষ পাইলট তৈরির জন্য ফ্লাইং অ্যাকাডেমি স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১টায় বগুড়া বিমানবন্দরের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টরস স্কুলে বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা এবং বিমানবাহিনীর বিএএফ ঘাঁটি কক্সবাজারের এয়ার অফিসার কমান্ডিং (এওসি) এয়ার ভাইস মার্শাল এ.এফ.এম শামীমুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় এয়ার ভাইস মার্শাল শামীমুল ইসলাম বলেন, বগুড়ার এরুলিয়ায় অবস্থিত বিদ্যমান এয়ারফিল্ডকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকার। বিমানবন্দরের পাশাপাশি এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বিমানঘাঁটি এবং দক্ষ পাইলট তৈরির জন্য একটি ফ্লাইং অ্যাকাডেমি স্থাপনের কাজও এর আওতায় রয়েছে।
তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি ও পণ্য পরিবহনে কার্গো সুবিধা চালুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। বগুড়া ধীরে ধীরে একটি গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
সভায় বক্তারা বলেন, বগুড়া বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় দেশের আকাশসীমার নিরাপত্তা জোরদার এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বগুড়ায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি পূর্ণাঙ্গ ঘাঁটি বা স্টেশন স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টরস স্কুলের অফিসার কমান্ডিং গ্রুপ ক্যাপ্টেন সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুসাইন মুহাম্মদ রায়হান, বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস।