ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, ২৯ মুহররম ১৪৪৮

বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটকদের জন্য সাজেক ভ্যালি উন্মুক্ত

আলমগীর মানিক, রাঙামাটি

প্রকাশ: ২৩:৩২, ১৫ জুলাই ২০২৬

বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটকদের জন্য সাজেক ভ্যালি উন্মুক্ত

ফাইল ছবি

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নয় দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে রাঙামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাজেক ভ্যালি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।   বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় এই পর্যটন কেন্দ্রটি আবারও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি জেলা প্রশাসক নিজেও নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সাজেক ভ্যালিসহ জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হলেও বর্ষা মৌসুমে ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং জেলা প্রশাসনের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন জানান, আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। টানা নয় দিন বন্ধ থাকার পর পর্যটকদের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করা হচ্ছে এসব পর্যটন স্পট।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসের কারণে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় গত ৭ জুলাই সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে সাজেক ভ্যালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সাজেক রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মন এবং দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক বলেন, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলের কারণে দীর্ঘদিন পর্যটক না থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সাজেকের অর্থনীতি মূলত পর্যটননির্ভর হওয়ায় পর্যটন কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তির খবর।

তারা আশা প্রকাশ করেন, নিরাপদ পরিবেশে পর্যটকদের আগমনের মাধ্যমে সাজেকের পর্যটন খাত আবারও প্রাণ ফিরে পাবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন।
 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন