ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২:৫১, ১৪ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। ছবি :সংগৃহীত
দেশের প্রত্যন্ত এলাকার অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এর জন্য ‘বিগত বছরগুলোতে স্কুলগুলোর প্রতি অবহেলাকে’ কারণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) বিকালে রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে এক অনুষ্ঠানে জুবাইদা রহমান বলেন, বহু স্কুলের এই বিধ্বস্ত অবস্থা। কিন্তু শিক্ষার্থীরা শিক্ষা নেওয়া থামায়নি। শিক্ষক-শিক্ষিকারা কষ্টের মধ্যেও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী, আরও মনোযোগী। হয়ত তাদের মধ্যেই কেউ হবে বাংলাদেশের নাম বিশ্বের বুকে উজ্জ্বল করা ভবিষ্যত।
প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী তার বক্তব্যে দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার টেকনা মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ সদরের দক্ষিণ কেওয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ সদরের নাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কক্সবাজার পৌরসভার বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশকিছু স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশার কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারির আয়ুমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে জুবাইদা রহমান বলেন, মাথার উপরে ছাদ ভেঙে পড়া অবস্থা। এরকম বিধ্বস্ত অবকাঠামোতে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে মেধাবী শিক্ষার্থীরা। তাদের চেষ্টা সফল হবেই।
বিএএফ শাহীন কলেজে ঢাকা জেলা প্রশাসনের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রোজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুবাইদা রহমান। প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের ‘বিজ্ঞান প্রকল্প’ ঘুরে দেখেন তিনি।
জুবাইদা রহমান আরও বলেন, ইন্দুরকানি পিরোজপুর ৫৪নং সাউথ খালি বিদ্যালয়ের জীর্ণ সাদা দেয়ালে লাল রঙে লেখা জীবনের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেটি আমাদের সবাইকে চিহ্নিত করবে, চিন্তিত করবে। হয়তো জীবন সম্পর্কে আরও ভাবতে শেখাবে। দেয়ালে লেখা আছে, ‘মানুষ কখনো ব্যর্থ হয় না, হয় সে জিতবে না হলে সে শিখবে’। জীর্ণ দেয়ালের লিখন কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ। এরকম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন জরাজীর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখা আছে জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাণী।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।