প্র্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩:৫৯, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি :সংগৃহীত
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ছিলাম আমি। দীর্ঘদিন বিএনপির সঙ্গে ছিলাম। তবে যখনই বুঝতে পারলাম বিএনপি আর বেশিদিন বাঁচবে না, তাদের চিকিৎসা দরকার। সেদিনই আমি বিএনপি ত্যাগ করেছি। এখন দেশ চালানোর সামর্থ্য বিএনপির নেই। বিএনপি এখন ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি করবে, টেন্ডারবাজি করবে, চট্টগ্রাম বন্দর দখল করবে, ব্যাংক লুট করবে।’
শনিবার বিকালে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা ইসমাঈল হক্কানীর সভাপতিত্বে উপজেলার চাতরী চৌমুহনীর দক্ষিণে টানেল মোড়ে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই বলে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে নারীদের স্বাধীনতা হরণ করবে। বিভিন্ন ধর্মালম্বীদের তাদের ধর্ম পালনে বাধা দিবে। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি,কারও ব্যক্তিগত এবং ধর্মীয় স্বাধীনতায় আমরা হস্তক্ষেপ করব না। বরং তারাই অন্যের ধর্মে হস্তক্ষেপ করবে যারা নিজেদের ধর্মই ঠিক মত পালন করে না।’
এ সময় নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১২ তারিখ পর্যন্ত যা করার করে ফেলেন, ১২ তারিখ এদেশের জনগণ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে আপনাদের ভাতের হোটেল বন্ধ করে দিবে।
চট্টগ্রাম-১৩ আসনের ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হচ্ছে আনোয়ারা। কিন্তু সে হিসেবে এখানে উন্নয়ন হয়নি,কারখানা হওয়ার পরও শিক্ষিতরা চাকরি পায়নি, এখানে নারীদের জন্য সরকারি স্কুল-মাদরাসা নেই। যুবকদের বিভিন্ন পেশায় প্রশিক্ষিত করে বিদেশ পাঠানোর জন্য কোনো ট্রেনিং সেন্টার নেই। এই আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয় হলে এসব পরিকল্পনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জুবাইরুল আলম মানিক,চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, নেজামে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরের আমীর মাওলানা জিয়াউল হুসেইন জিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা খেলাফত মজলিসের আমির হাফেজ মাহবুবুর রহমান হানিফ, লেবার পার্টি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি জুনু মিয়া, ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহিমসহ ১১ দলীয় জোটের জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দ।