ঢাকা, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ২৪ রমজান ১৪৪৭

শেরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাংবাদিকসহ তিনজন কারাগারে

শাহরিয়ার মিল্টন , শেরপুর

প্রকাশ: ২৩:১৮, ১৩ মার্চ ২০২৬

শেরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাংবাদিকসহ তিনজন কারাগারে

ছবি:বাংলার চোখ

শেরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে এক সাংবাদিকসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে আদালতে সোপর্দ করার পর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আহমেদ তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন-শহরের নারায়ণপুর মহল্লার বাসিন্দা মারুফুর রহমান ফকির (৪৭), একই এলাকার সুমন কুমার দে’র ছেলে সজীব কুমার দে (২৫) এবং সদর উপজেলার বামনেরচর এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে মো. জাহিদুল (২৫)। মারুফুর রহমান আনন্দ টিভির শেরপুর জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক জনকণ্ঠ অনলাইন সংবাদমাধ্যমে কর্মরত বলে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, বুধবার বিকেলে শহরের মধ্যশেরী এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ আব্দুল্লাহেল হাদী ও সৈয়দা হেলেনা হাদী দম্পতির বাসায় প্রবেশ করেন মারুফুর রহমান, সজীব কুমার দে ও জাহিদুল। এ সময় তারা বাসায় অবৈধ মালামাল রয়েছে বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ভিডিও ধারণ করেন এবং সৈয়দা হেলেনা হাদীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাদের ছেলেকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে হেলেনা হাদী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদের আটক করে এবং মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় হেলেনা হাদী বাদী হয়ে সদর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার অপর আসামি নারায়ণপুর এলাকার মৃত লোটন মিয়ার ছেলে মো. তমাল (৩৮) পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারুফুর রহমানের বিরুদ্ধে এর আগেও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এবং একাধিক মামলায় তিনি আগে কারাবরণ করেছেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, চাঁদাবাজির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে তিনজনকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন