আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩:৩৮, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
.
ইসলামাবাদের একটি মসজিদে ৬ ফেব্রুয়ারির হামলার পর ইসলামাবাদ ও নয়া দিল্লি–এর মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করে দাবি করেছে, তারা আইএসআই–সমর্থিত নাশকতার সঙ্গে যুক্ত; কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকও আছেন বলে জানানো হয়। ঘটনাটি নিয়ে দুই দেশে আলোচনার ঝড় উঠেছে।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, কাশ্মীর ইস্যুতে পোস্টারিংসহ সম্ভাব্য নাশকতার সতর্কতা ছিল, তাই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান। তাদের মতে, লস্কর-ই-তৈয়বা–ঘনিষ্ঠ চক্র বড় শহরে হামলার ছক কষছিল—এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।
অন্যদিকে সমালোচকদের একটি অংশ প্রশ্ন তুলছেন, প্রমাণ উপস্থাপনের আগেই “বাংলাদেশি জঙ্গি” তকমা দেওয়া হচ্ছে কি না। তাদের বক্তব্য, আঞ্চলিক উত্তেজনা ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে কঠোর বার্তা দেওয়ার কৌশলও হতে পারে এটি। আবার অনেকে সতর্ক করছেন—ভারতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বাস্তব; তাই তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক নয়।