ঢাকা, রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬

৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, ০২ সফর ১৪৪৮

দায়িত্ব থেকে বিচ্যুতি করাতে পারবেন না:শিক্ষামন্ত্রী মিলন 

প্র্রতিনিধি

প্রকাশ: ০০:৫০, ১৯ জুলাই ২০২৬

দায়িত্ব থেকে বিচ্যুতি করাতে পারবেন না:শিক্ষামন্ত্রী মিলন 

ছবি:বাংলার চোখ

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা এসে দায়িত্ব পেয়েছি এই জাতিকে সুশিক্ষিত করার। যে যতো ট্রল আর অপবাদই করেন না কেন, আমাদের সঠিক দায়িত্ব থেকে আপনারা বিচ্যুতি করতে পারবেন না। 

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ও নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাগত বক্তব্য দিয়ে কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী। 

অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশ করা হয়। এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়  ৫২, ৬৯, ৭১ ও ২৪ সালের আন্দোলনে সকল শহীদদের স্বরণে। এরপর প্রদর্শন করা হয় নওগাঁ জেলা ও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর প্রামাণ্য চিত্র। 

এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি শহরের বরুনকান্দি মোড় এলাকায় অবস্থিত নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচন এবং পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি।

নিজের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সিটি কলেজ থেকে এক মেয়ে বারবার আমার সাথে কথা বলতে চাইলো। ভাবলাম বাচ্চা মেয়ে কল করেছে, তাই কথা বললাম। সে পরীক্ষা পেছানোর জন্য বলল। কিন্তু পরীক্ষাটা সকলকে নিয়েই নেওয়া হয়। ইচ্ছে করলেই পরিবর্তন করা যায়না। তবে আবহাওয়া ম্যানের সাথে কথা বলে জানতে পারি বৃষ্টি হবেনা। আর সেই জন্যই পরীক্ষা চলমান রাখা হয়। 

মন্ত্রী আরও বলেন, কিন্তু সারা দেশে দেখা গেল সকাল বেলা হালকা বৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যে শুধুমাত্র একটি মাত্র কেন্দ্র কুমিল্লার মহিলা কলেজে জলাবদ্ধতা হয়েছে। আর নিয়ম রয়েছে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া হলো ওই এলাকার ইউএনও ডিসি পরীক্ষা স্থগিত করতে পারেন। তারপরও আমি জানতে পেরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলাম। সারা বাংলাদেশে বৃষ্টি হলেও আপনারা ২য় কেন্দ্র দেখাতে পারবেন না। আর বৃষ্টি হলে ঢাকা শহরে জলবদ্ধতা হয়, এটা একটা কমন টার্মিনোলজি, এটা কোনো নতুন ব্যাপার না। আর এই কারণেই আমি আগামীতে পরীক্ষাগুলো এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। 

তিনি বলেন, মেয়ে শিক্ষার্থী আমাকে জিজ্ঞেস করল, স্যার বৃষ্টির মধ্যে আমাদের পরীক্ষা নিলেন? বললাম আমি জানি বৃষ্টি হয়েছে, তোমাদের খুব কষ্ট হয়েছে সেটা নিয়ে আমি চিন্তিত। সেই সাথে বললাম আমার মেয়ে তানজিলার মাথায় একটু বৃষ্টির পানি পড়লে ফার্মের মুরগীর মতো তার জ্বর আসে। সেই জন্য তোমাদেরকে নিয়ে আরও খুব চিন্তিত তোমাদের জ্বর আসে কিনা। আর সকলের সাথে কথা বলেছি, তারা বলেছে পরীক্ষা নেওয়া যাবে। কাজেই লক্ষী মা পরীক্ষাটা দিয়ে দাও। আর মাকে বলো এক কাপ কফি বানিয়ে দিতে, পড়ার টেবিলে বসে যাও। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তারপরও ইউ সি শিক্ষার্থীরা এটাকে ন্যারেটিভ হিসেবে তারা নেগেটিভে নিয়ে গেল। কিভাবে আমাকে নিয়ে ট্রল শুরু হলো। যারা ট্রল করতে শুরু করল তারাও পরীক্ষার্থী না। অথচ ঢাকা শহরের আইডিয়াল কলেজ বা ল্যাবরেটরি স্কুল বা ভিকারুননিসা কাউকে দেখিনি আন্দোলন করতে। এইভাবে আন্দোলন করে মিসগাইডেড করে কি একটা হ্যাভক সৃষ্টি করল। কাজেই যতো ট্রল আর অপবাদই করেন না কেন, আমাদের সঠিক দায়িত্ব থেকে আপনারা বিচ্যুতি করতে পারবেন না। 

নিজের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬সাল পর্যন্ত দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার সময় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলাম। আর আজকে তারই শ্রেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের অধীনে আমি দায়িত্ব পালন করছি। আপনারা কি করে ভাবলেন অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হবে? 

নাম না বলে শিক্ষামন্ত্রী এক শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে বলেন, কিছু কিছু লোক সুন্দর সুন্দর পোস্ট দেন। ওই শিক্ষকের নামের আগে ডক্টর আছে। তিনি আমাকে নাম দিয়েছেন পরীক্ষা মিলন, মন্ত্রী মিলন না। আমার নাম হচ্ছে পরীক্ষা মিলন। কিন্তু ডক্টর সাহেব আপনি কিন্তু পরীক্ষা ছাড়া পিএসডি করতে পারেননি। পরীক্ষা ছাড়া কি সনদ হয়? মাঝে মাঝে মনে হয় বাংলাদেশে অনেক পিএসডি হয়েছে, আর সেই পিএসডি ক্ষতিয়ে দেখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম, তখন মালেশিয়ার শিক্ষার্থীরা আমার সাথে পড়তো। আর তাদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল হল করে দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ছাত্রদলের প্রথম কমিটিতে আমি ছিলাম। 

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ডক্টর বেহিক্যাল একটা থিউরিতে ট্রানজেবল এ্যাসেট সম্পর্কে বলেছিলেন। যেটিকে আমরা দেখতে পাই সেটা ট্রানজেবল, আর যেটি দেখতে পাইনা সেটি ইনট্রানজেবল। আমাদের দেশে প্রতিভা রয়েছে সেগুলো ইট্রানজেবল। আমরা সেগুলোকে কাজে লাগাতে পারিনা, স্পর্শ করতে পারিনা। সেই দিক থেকে এই ট্রানজেবল এ্যাসেট আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি। আমাদের দেশে জনসংখ্যা বেশি। আর তাদেরকে কাজে লাগাতে হবে। সেই জন্য আমাদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করতে হবে। 

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান ১৭বছর নির্বাসনে ছিলেন। এবং নির্বাসনে থাকার সময় উনার মাইন্ড সবসময় কাজ করেছে কিভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন করা যায়। এবং উনার চিন্তা চেতনায় ছিল শুধু শিক্ষা আর শিক্ষা। এই জন্য দেশে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছেন তিনি।

১লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বাজেট দিয়েছে শিক্ষা খাতে। আসুন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা সবাই মিলে সরকারকে সহযোগিতা করি।

শিক্ষামন্ত্রী ড.আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রিয় শিক্ষার্থীরা এই বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর এডুকেশনাল হাব। এই বাংলাদেশে পৃথিবী থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসবে। সেই আদলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় বানাচ্ছি। আমরা জানি বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী মেধাবী। এটাই আমাদের বড় সম্পদ। বাংলাদেশের প্রতিটি ছাত্র যারা বাইরে পড়তে গিয়েছে তারা অত্যন্ত সুনাম অর্জন করেছে। এখনও হিসেব করে দেখা যায় ডিস্টিন্ট পায় ওই বাংলাদেশি ছেলেমেয়েরা বিদেশে বসে। তাহলে আমরা কেন পারব না এই এডুকেশন হাব করতে? ব্রিটিশ ইউকে ৪০ বিলিয়ন ডলার বিজনেস করতে চায়, আমরা কেন পারব না ১০০ বিলিয়ন ডলারের বিজনেস করতে এই বাংলাদেশে? এটাই তো আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। 

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই ধরণের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য শিক্ষার্থীরা অধীর আগ্রহে থাকবে। ওই পরিবেশে আমরা কবে থেকে থাকবো। আর আমরা সেই বিশ্ববিদ্যালয় করতে যাচ্ছি।বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, নওগাঁবাসী যেন খুশি ও আনন্দিত হয়, তারা একটি সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় পায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বক্তব্য দেন, স্থানীয় সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন,  মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডাক্তার একরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো: এনামুল হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ। এছাড়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকূর ইসলাম ও আরও ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যসহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা মনিরা শারমিন উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, খাদ্যে উদ্বৃত্ত সুখি সমৃদ্ধ তিন অক্ষরে একটা জেলা নওগাঁ। জুলাই আন্দোলনের কিছু অংশ যেমন ইতিহাস হয়ে থাকবে, তেমনি ১৮জুলাই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধনও ইতিহাস হয়ে থাকবে। কাজেই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে দূরের যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে তাদের জন্য হাত তালি দেওয়া উচিৎ।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা শিক্ষিত হয়ে শুধু সরকারি চাকরি করবো এটা ভাবা যাবেনা। কিভাবে বিদেশে গিয়ে সুনাম অর্জন করে বিদেশের টাকা দেশের মাটিতে পাঠানো যায় সেই চিন্তা ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

তিনি বলেন, বলতে খুব খারাপ লাগে ভোলাতে মিছিল হচ্ছে নকল করতে দিতে হবে। আমরা কথা বললে আজ আপনারা বলেন, আমাদের আন্দোলনের কারণে আপনারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। আমরা সেটা অস্বীকার করিনা। কিন্তু আমরা ২০বছর আন্দোলন করেছি। আমরা তোমাদের সন্মান করি। তার মানে এই নয় বৃষ্টিতে ভিজলেই অটোপাস দিতে হবে। তার মানে এটা নিয়ে আন্দোলন করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই। আবার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইতে চাইতে সরকারের পদত্যাগ চাইলো। অথচ শিক্ষামন্ত্রী সংসদে দু:খ প্রকাশ করেছিল, আর এটাই গনতন্ত্র। কাজেই যেই শিক্ষা ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের জন্য কাজে আসবে না, সেই শিক্ষা নিয়ে কোনো দাবি তোলা যাবে না। 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে কতো বড় রিক্স নিয়ে ৯লাখ ৩৮হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে। শিক্ষা খাতে যখন সর্বোচ্চ বাজেট দেওয়া হয়, তখন একটা দলের এমপি সংসদে বলে প্রতিরক্ষা খাতে বেশি বাজেট দিতে হবে অস্ত্র কেনার জন্য। 

নওগাঁবাসীকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবকিছু ঠিক ছিল, কিন্তু এখান থেকে কিছু মানুষ বেহেশতে চলে গেছে, তারা যদি আমাদের সাথে দোযখে থাকতো। তাহলে ভালো লাগতো ও কাজ করে মজা লাগতো। তবে আগামী দিনে আমরা একসাথে কাজ করবো।

এসময় সকল অতিথি কাগজের বিশ্ববিদ্যালয়কে কাজের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করা জন্য উপাচার্য প্রফেসর ড. হাছানাত আলীকে ধন্যবাদ জানান। 

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নওগাঁয় বঙ্গবন্ধুর নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের খসড়া অনুমোদন প্রদান করে তৎকালীন মন্ত্রিসভা। ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, নওগাঁ’ বিল পাস হয়। ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, নওগাঁ থেকে পরিবর্তন করে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণ করে।

দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে হিসাববিজ্ঞান ও আইনবিভাগে ৪০ জন করে ৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলো নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন