ঢাকা, রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬

৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, ০২ সফর ১৪৪৮

গণভোটের আলোকে জুলাই সনদ না হলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যাব: নাহিদ

প্র্রতিনিধি

প্রকাশ: ২১:১২, ১৮ জুলাই ২০২৬

গণভোটের আলোকে জুলাই সনদ না হলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যাব: নাহিদ

ছবি :সংগৃহীত

সরকার যদি গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তাহলে গণআন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা এখনো হরতাল, অবরোধের মতো কর্মসূচী দেইনি। কিন্তু যেকোনো সময় সেই ধরনের কর্মসূচী দেওয়ার জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা এই মুহুর্তে এই ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়ার পক্ষে ছিলাম না। কিন্তু সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রমশ পরিস্থিতিকে সেই দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।

 আজ শনিবার বিকালে বরিশাল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 এ সময় এনসিপি আহ্বায়ক আরও বলছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী অনেক ভালো ভালো কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু, অন্তরে ছলনা। যেই গণভোটের পক্ষে তিনি হ্যাঁ এর প্রচারণা করলেন। সেখানে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দেওয়া সত্ত্বেও তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছেন না। অন্যদিকে মুখে বলে যাচ্ছেন জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব। গণঅভ্যুত্থানের সময় আমাদের একটি স্লোগান ছিল নাটক কম করো প্রিয়। তারেক রহমানকেও বলে দিচ্ছি নাটক কম করেন প্রিয়। বাংলাদেশের জনগণ আপনাকে ক্ষমতা দিয়েছে মানে এই নয় যে আপনার যা খুশি ছলনা করবেন।’

‘বিএনপি গত ১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে। আসল কথা হচ্ছে বিএনপি কখনো জনগণের পক্ষে ছিল না। তারা লড়াই করেছিল ক্ষমতার জন্য, স্বার্থ হাসিলের জন্য। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা তাদের কুক্ষিগত হয়েছে। এখন তারা সংবিধান সংস্কার কমিশনের কথা বলে না, এখন তারা ৩১ দফার কথা বলে না। বিএনপি সরকারকে বলতে চাই সংবিধান সংশোধনের নামে কোনো প্রহসন বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না’— যোগ করেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ।
 
নাহিদ মন্তব্য করেন, ‘বিএনপি সরকার তাদের ইশতেহারে বলেছিল ১৮ মাসে তারা ১ কোটি কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে। ৫ মাস হয়ে গিয়েছে কয়টি কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে ? কয়টি চাকরি নিশ্চিত হয়েছে? নিশ্চিত হয়েছে চাঁদাবাজি। কার্ড হয়েছে ছাত্রদল-যুবদলের। দলের লোকজনের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়নি।’ 

 বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আরও পড়ুন