ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩:১৮, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি :সংগৃহীত
রমজান শুরু হতে এখনও প্রায় এক মাস বাকি, অথচ এরই মধ্যে রাজধানীর বাজারে কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। রোজায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভোগ্যপণ্য ছোলা, ছোলার ডাল, চিনির দাম বাড়তে শুরু হয়েছে। মাছ, ডিম ও মাংসের মতো প্রোটিনজাত পণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখী। তবে শীতকালীন সবজি ও পেঁয়াজে এখনও কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকার বিভিন্ন কাঁচাবাজারে পাইকারি ও খুচরা দোকান ঘুরে দেখা গেছে, গত এক মাসে খুচরায় ছোলার দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়, যা এক মাস আগেও ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। ছোলার ডালের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১০৫ থেকে ১১০ টাকা হয়েছে।
গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে চিনির বাজারও কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। কিছুদিন আগে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৯০ টাকায় নেমে এলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়। গত সপ্তাহে খোলা সয়াবিন তেলের সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি থাকলেও এখন তা স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
দীর্ঘ কয়েক মাস স্থিতিশীল থাকার পর গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়।
সোনালি মুরগি মানভেদে প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ডিমের দামও কিছুটা বেড়েছে। প্রতি ডজন মুরগির ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এত দিন ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় বেশির ভাগই প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। নতুন আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি, পুরনো আলু ১৫ টাকা কেজি। দেশি পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো হওয়ার কারণে দামও তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিম প্রতি কেজি মানভেদে ৪০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৮০ টাকা, টমেটো ৬০ থেকে ৮০ টাকা। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গাজর প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চালকুমড়া প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। লম্বা লাউয়ের দাম বেশ বেড়েছে। প্রতি পিস লম্বা লাউ আকারভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। লেবুর দামও চড়া। মাঝারি লেবুর হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।