ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬

১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, ১৮ সফর ১৪৪৮

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে দিনব্যাপী কর্মসূচি 

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩:২৬, ৩ আগস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে দিনব্যাপী কর্মসূচি 

ছবি:বাংলার চোখ

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান’ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সোমবার(৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল- জুলাই ম্যারাথন, জুলাই রচনা প্রতিযোগিতা, জুলাই কুইজ প্রতিযোগিতা, শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, জুলাই বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ফটোফ্রেম প্রদর্শনী এবং পুরষ্কার বিতরণ ইত্যাদি। যৌথভাবে ওই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) প্রফেসর ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর আনিছুর রহমান।

এদিন সকাল ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে জুলাই ম্যারাথনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। সকাল ৯টায় আইসিটি বিভাগে অনুষ্ঠিত জুলাই রচনা প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে প্রবন্ধ রচনা করেন। একই সময়ে বিজিই বিভাগে জুলাই কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সংবিধান এবং সমসাময়িক নানা বিষয়ের ওপর প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। সাইবার সেন্টারে শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও ফটোফ্রেম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীরা তাদের তুলির আঁচড়ে দেশপ্রেম, স্বাধীনতার চেতনা, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ফুটিয়ে তোলে। একই স্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ভিত্তিক বিভিন্ন আলোকচিত্রের প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
পরে সাইবার সেন্টারে জুলাই বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা যুক্তি, তথ্য ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য, গণতান্ত্রিকমূল্যবোধ এবং নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রো-ভিসি অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জুলাই উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল নাসির, কমিটির সদস্য-সচিব ও শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, উদযাপন উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন উপকমিটির সদস্য-সচিব ড. মো.  রাশেদুজ্জামান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষা, ন্যায়বিচার এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নতুন প্রজন্মকে এই ইতিহাস জানতে হবে এবং এর চেতনা ধারণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন