ঢাকা, রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ২৭ শা'বান ১৪৪৭

শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৫:৪৮, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

ছবি :সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকার শপথ নিতে যাচ্ছে। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, চীনসহ ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো ১৩টি দেশ হলো ভারত, পাকিস্তান, চীন, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ, ভুটান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাই।

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন সরকারের যাত্রা  শুরু হবে। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হবে।

আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে শপথ নিচ্ছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিরা। ওই দিন সকালে তাঁদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। অপরদিকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিকেলে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এই প্রথমবার রেওয়াজ ভেঙে বঙ্গভবনের দরবার হল বাদ দিয়ে উন্মুক্ত স্থানে শপথ অনুষ্ঠান হবে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় ও বিএনপির একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসন ও গণভোটের ফলাফলের সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তার মিত্ররা পেয়েছে ২১২ আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য পেয়েছে ৭৭ আসন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি এবং স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ৭টি আসন।
  
দলভিত্তিক হিসেবে—বিএনপি ২০৯টি আসনে, জামায়াত ৬৮টি আসনে, এনসিপি ৬টি আসনে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসনে; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণ অধিকার পরিষদ, বিজেপি, খেলাফত মজলিস, গণসংহতি আন্দোলন ১টি করে আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়লাভ করেছে।

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া দুটি আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। আসন দুটি হলো—চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪। এছাড়া প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত করা হয়।

আরও পড়ুন