ঢাকা, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬

২৬ পৌষ ১৪৩২, ২০ রজব ১৪৪৭

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের সঙ্গে আলোচনায় যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭:৫৮, ৮ জানুয়ারি ২০২৬

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের সঙ্গে আলোচনায় যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ছবি: সংগৃহীত

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কের সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহার সবসময়ই একটি বিকল্প।’

ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি সমাধান করতে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড উভয় সরকারই রুবিওর সাথে বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছে।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের আমেরিকান অংশীদারদের সঙ্গে একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা যৌক্তিক হবে, যাতে বিদ্যমান কিছু ভুল বোঝাবুঝি দূর করা যায়।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে করা এক পোস্টে গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোটজফেল্ডট বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো বক্তব্য নিয়ে আলোচনা করাই হবে এই বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য।’
 
এর আগে মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) ইউরোপীয় নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের ভৌগোলিক অখন্ডতা অবশ্যই সম্মান করতে হবে।’
 
সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট্টে ফ্রেডেরিকসেনও ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলা ন্যাটো জোটের অবসান ডেকে আনবে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবসান ঘটাবে।’
 
গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার প্রশ্নে ট্রাম্পের যুক্তি হলো, আর্কটিক অঞ্চলে চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।
 
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাতে জানা গেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নির্বাচিত কয়েকজন আইনপ্রণেতাকে জানিয়েছেন যে, সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে ন্যাটোভুক্ত ডেনমার্কের স্বশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকে শেষ পর্যন্ত কিনে নেয়াই বর্তমান প্রশাসনের অভিপ্রায়। 

আরও পড়ুন