এবি সিদ্দিক, সুন্দরগঞ্জ থেকে
প্রকাশ: ২২:৫৪, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ফাইল ছবি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টি (জাপা)'র শীর্ষ ২ নেতা পৃথক মেরুতে অবস্থানে কিছুটা দ্বিধা-বিভক্তি দেখা দিয়েছে। এতে সুযোগ সন্ধানে রয়েছে জামায়াত-বিএনপি।
জানা যায়, আসন্ন নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টি (জাপা) মহাসচিব সাবেক এমপি আলহাজ্ব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী লাঙ্গল প্রতীকে মনোনীত হয়েছেন। অপরদিকে জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, জেলা জাপা'র সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সদ্য অপসারিত) ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। নির্বাচনে জাপা'র ২ শীর্ষ নেতা পৃথক মেরুতে বেশ শক্ত অবস্থানে থাকায় দেখা দিয়েছে দ্বিধা-বিভক্তি। এ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ (দাঁড়িপাল্লা) মনোনীত জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান ও ধানেরশীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত অধ্যাপক ডা. জিয়াউল ইসলাম জিয়া।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী রংপুর-১৭ ও রংপুর-১৮ আসন হিসেবে ১৯৭৩ ও ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও এমএল-আইডিয়াল জোট ১ বার করে বিজয় লাভ করে। এরপর ১৯৮৪ সালে জাতীয় পার্টির (এইচএম এরশাদ) শাসন আমলে গাইবান্ধাকে মহুকুমা থেকে জেলায় উন্নীত হয়। এতে ১৫টি ইউনিয়ন বিশিষ্ট ৩৬৯ দশমিক ৮৫ বর্গ মাইল জুড়ে গঠিত সুন্দরগঞ্জকে প্রশাসনিক উপজেলাসহ জাতীয় সংসদের ২৯, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসন প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
আসনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থীই (লাঙ্গল প্রতীক) পূর্ণ মেয়াদে ৫ বার, মহাজোট মনোনীত (লাঙ্গল) ১ বার, ৪ দলীয় ঐক্যজোট মনোনীত (দাঁড়িপাল্লা), ১বার স্বতন্ত্র ও আ'লীগের (নৌকা) ১ বার নির্বাচিত হয়। পরবর্তীতে উপ-নির্বাচনে আ'লীগের (নৌকা) ১বার ও জাপা (লাঙ্গল) মনোনীত প্রার্থী ১ বার নির্বাচিত হন। জাপা (লাঙ্গল) মনোনীত প্রার্থীই বার বার নির্বাচিত হওয়ায় এ আসনটি জাপা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সার্ক প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ প্রিয় ও লাঙ্গল'র শক্তঘাটি হিসেবে বিবেচিতি লাভ করে।
বর্তমানে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভাসহ ১৫টি ইউনিয়ন বিশিষ্ট এ আসনে ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ১৯ হাজার ১১১জন। এরমধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৭ হাজার ৫৭৪, মহিলা ২ লাখ ১১ হাজার ৫৩৪ ও হিজড়া ৩ জন।
নদ-নদী বেষ্টিত (ব্রহ্মপুত্র-তিস্তা ও ঘাঘট) বৃহৎ আয়তাকার জনসমষ্টি বিশিষ্ট প্রশাসনিক এ উপজেলা ১৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা ছাড়াও সংযুক্ত হয়েছে ২টি (কঞ্চিবাড়ি ও বামনডাঙ্গা) পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র।
আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে পৌরসভা ও ইউনিয়ন সমূহের ১২৩টি ভোট কেন্দ্রের ৭৭১টি বুথে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। যা, গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে স্থির সংখ্যার চেয়ে বেশি ২৬ হাজার ৬৭ জন ভোটার। এতে তরুণ ভোটারের সংখ্যা ১৬ থেকে ১৭ হাজার হতে পারে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্ট একটি দপ্তর।
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারের স্থির সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯৫১, মহিলা ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯২ ও হিজড়া ১ জন।
আসন্ন নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- জাপা (লাঙ্গল) মনোনীত জাতীয় পার্টি'র মহা-সচিব, সাবেক এমপি আলহাজ্ব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, স্বতন্ত্র (ঢেঁকি) মনোনীত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সদ্য অপসারিত), জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও জেলা জাপা'র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ (দাঁড়িপাল্লা) মনোনীত উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর সহকারি অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বিএনপি (ধানেরশীষ) অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া, স্বতন্ত্র (ঢেঁকি) মনোনয়নে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান (সদ্য অপসারিত) ছালমা আক্তার, বাসদ-মার্কসবাদী (মই) পরমানন্দ দাস, আমজনতার দল কওছর আজম হান্নু ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) রমজান আলী।
১৯৮৬ সালের ৭মে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫টি ইউনিয়নের ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৭২ জন ভোটারের ৯২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাপা (লাঙ্গল) হাফিজুর রহমান প্রামানিক ৬৯ হাজার ৩৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ আবুল হোসেন খাজা পান ২৯ হাজার ৩৪৭ ভোট।
১৯৯১ সালের ১২ জুন ৪র্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাপার (লাঙ্গল) সাবেক এমপি হাফিজুর রহমান প্রামানিক ২৮ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে পুনঃরায় নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের (দাঁড়িপাল্লা) মাও: আঃ আজিজ পেয়েছেন ২২ হাজার ৭৩২ ভোট।
১৯৯৬ সালের ১৫ জানুয়ারি নির্বাচন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এ নির্বাচনের পর একই সালের পরবর্তী ২৭ ফেব্রুয়ারি ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান সরকার ৫৭ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ১ লাখ ৯২ হাজার ১৩৫ ভোটারের জন্য ৯৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। এতে ১১জন প্রার্থীর মধ্যে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মাও: আব্দুল আজিজ পান ৩৮ হাজার ১৪৫ ভোট।
২০০১ সালের ১ অক্টোবর ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী (দাঁড়িপাল্লা) মাও: আ: আজিজ ৭৫ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকে জাপা মনোনীত ওয়াহিদুজ্জামান সরকার পান ৫৭ হাজার ৪৮ ভোট।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে মহাজোট মনোনীত কর্ণেল (অব:) ডাক্তার আব্দুল কাদের খান ১ লাখ ৬০ হাজার ৮ ভোট পেয়ে স্মরণকালের মত জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৪ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী সাবেক এমপি মাও: আ: আজিজকে পরাজিত করেন। তিনি পান ৬০ হাজার ৯৩ ভোট।
২০১৪ সালের ৫ ও ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আ'লীগের (নৌকা) প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে ১ লাখ ১৮ হাজার ১৫২ ভোট দেখিয়ে বিজয়ী ঘোষণা করে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকে জাপা প্রার্থী সাবেক এমপি কর্ণেল (অব:) আব্দুল কাদের খানের ১৩ হাজার ৪৪ ভোট দেখানো হয়।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পৌরসভাসহ ১৫টি ইউনিয়নের ১১১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনকালে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৪৯ জন। এতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ জনের মধ্যে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টি (জাপা) প্রার্থী সাবেক এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়ে ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করেন। জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান ৬৫ হাজার ১৭৩ ভোট পেয়ে বিপুল সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র (ঢেঁকি) প্রার্থী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ্ নাহিদ নিগার (সাগর) ৬৬ হাজার ৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির (জাপার) সাবেক এমপি আলহাজ্ব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ৪৩ হাজার ৪৯১ ভোট পান। এ নির্বাচনে পৌরসভাসহ ১৫টি ইউনিয়নের ১১৪টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় এ নির্বাচনী আসনে ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৬ জন।
এরআগে ২০১৪ সালের নির্বাচনের সংসদ মেয়াদে সংসদ সদস্যের মৃত্যুজনীত কারণে আসনটি শূণ্য' হলে ২ বার উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সালের ২২ মার্চ (১ম) ও ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ (২য়) উপ-নির্বাচনে আ'লীগের (নৌকা) গোলাম মোস্তফা আহমেদ ও জাপা'র (লাঙ্গল) প্রার্থী আলহাজ্ব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী নির্বাচিত হন।
সকল প্রকার দ্বিধা-বিভক্তি পেরিয়ে জাপা মহা-সচিব সাবেক এমপি আলহাজ্ব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল) নিরঙ্কুশ বিজয়ের আশাবাদী বলে উপজেলা জাপা নেতা-কর্মীসহ কিছু সাধারণ ভোটার মনে করছেন। এদিকে, নিজের বিজয়ে শতভাগ আশাবাদী স্বতন্ত্র প্রার্থী জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, জেলা জাপার সহ-সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সদ্য অপসারিত) ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার।
অপরদিকে, বিশাল ভোটব্যাংক থাকলেও পার্টিতে (দলে) দ্বিধা-বিভক্তির ফলে ভোট ভাগাভাগী হবে। এতে অন্যকোন দলের ভোট না হলেও নিজ দলের ভোটারের ভোটেই নির্বাচিত হবার আশাবাদী রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ (দাঁড়িপাল্লা) মনোনীত উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক মাজেদুর রহমান ও বিএনপি (ধানেরশীষ) মনোনীত অধ্যাপক ডা. জিয়াউল ইসলাম জিয়া।
ভোট না হলেও নিজ দলের ভোটারের ভোটেই নির্বাচিত হবার আশাবাদী রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ (দাঁড়িপাল্লা) মনোনীত উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক মাজেদুর রহমান ও বিএনপি (ধানেরশীষ) মনোনীত অধ্যাপক ডা. জিয়াউল ইসলাম জিয়া।
আসন্ন নির্বাচনে অন্য কোন প্রার্থী বা দলের তেমন একটা অবস্থান না থাকলেও অন্যান্য প্রার্থীরাও নিজের বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।
এনিয়ে অধিকাংশ প্রার্থী, সচেতন মহল সাধারণ ভোটাররা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রত্যাশা করে বলছেন- 'যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক হয়। অন্যথায় কোন পক্ষ রাষ্ট্রযন্ত্র বা বাড়তি ক্ষমতা ব্যবহার করে জয়ী হবার পথে এগিয়ে থাকা গণতন্ত্রের মূল চেতনার পরিপন্থী'।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাই গত ৩০ ডিসেম্বর (২০২৬ সাল) থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের সময় ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি, নিষ্পত্তি ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ, ২১ জানুয়ারি, প্রচারণা শুরু ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা পর্যন্ত, ভোট গ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি।