স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩:১৫, ১৫ আগস্ট ২০২৬
ছবি :সংগৃহীত
ভারত নাম প্রত্যাহার করায় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলার আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ দল। এই টুর্নামেন্টে ভালো করতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের নতুন টমাস ডুলি। সেই সঙ্গে ঘরের মাঠে সাফ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে শিষ্যদের একটি মডেল টেস্ট পরীক্ষাও নিতে চান তিনি।
তার মতে, ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ফিফা আসিয়ান কাপ হবে বাংলাদেশের জন্য প্রস্তুতির মঞ্চ। ডুলির ভাষ্য, আসিয়ানে খেললে আমরা নিজেদের ভুলগুলো শনাক্ত করতে পারব এবং শিখতে পারব। ম্যাচগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ টুর্নামেন্ট।
আসিয়ান কাপে দলগুলোকে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে—প্রিমিয়ার ডিভিশন ও চ্যালেঞ্জ ডিভিশন। প্রিমিয়ারে খেলা ৮টি দলকে ভাগ করা হয়েছে দুই গ্রুপে। বাংলাদেশ খেললে পড়বে ‘এ’ গ্রুপে। সেখানে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও আছে মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর।
তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়ার মতো দলের বিপক্ষে খেলা আমাদের জন্য দারুণ এক পরীক্ষা হবে। এই টুর্নামেন্টে নামলে আমরা অবশ্যই আন্ডারডগ হিসেবেই মাঠে নামব, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আন্ডারডগ হওয়ার একটা সুবিধাও দেখছেন ডুলি, ‘প্রতিপক্ষকে প্রমাণ করতে হবে যে, তারা আমাদের চেয়ে ভালো। আমাদের কাজ হবে মাঠে তাদের সামলে খেলা। খেলোয়াড়রা যদি শতভাগ শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকে, তাহলে প্রতিপক্ষকে চমকে দেওয়ার মতো সামর্থ্য আমাদের আছে।
গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে-অপরের বিপক্ষে একবার করে ম্যাচ খেলবে। এরপর দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনাল। বাংলাদেশ ফাইনালে উঠলে চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।
আর চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় ১২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। তবে ফাইনালে উঠতে না পারলেও স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।