চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩:৫৯, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি:বাংলার চোখ
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয় একটি প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী পরিবারের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম।
এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, চলতি মাসের ৩ জানুয়ারী গভীর রাতে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের নারোখাকি এলাকায় পদ্মা নদী পেরিয়ে একটি ছোট্ট ডিঙ্গী নৌকা যোগে ভারতে গরু চোরাকারবারী করতে যায় সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নের রানীনগর গ্রামের কাজেম আলীর ছেলে কামরুজ্জামান বাচ্চু এবং একই উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চাকপাড়া গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেন ফিরোজ মেম্বারের ছেলে গোলকাজুল ওরফে কাজল। পরে সেখানে নৌকা ডুবি হলে শরীরে পরিহিত অতিরিক্ত শীতের কাপড়ের ভারে নদীতে ডুবে তলিয়ে নিখোঁজ হয় কাজল। আর নদী সাঁতরে কোনরকমে তীরে উঠে জানে বেঁচে ফিরে আসে বাচ্চু। এমন ঘটনা কাজলের পরিবারসহ এলাকাবাসী জানলেও এবং একাধিক সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও নবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় কাজল নিখোঁজের সাধারন ডায়রিতে বাচ্চুসহ একাধিক নির্দোষ মানুষকে আসামী করেছে পুলিশ।
তিনি আরো বলেন, শুধু আসামী করেই পুলিশ ক্ষান্ত হয়নি। বরং এই ইউনিয়নের আওয়ামী দোসর পলাতক চেয়ারম্যান শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শাহিদ রানা টিপু দ্বারা সংঘটিত একটি হত্যা মামলাকে আড়াল করতে তার কাছ থেকে বিপুল পরিমান অর্থ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হরেন্দ্রনাথ দেবদাশ চরবাগডাঙ্গার কাজল নিখোঁজের ঘটনাকে পুঁজি করে রাতের আঁধারে এসব অসহায় মানুষদের বাড়িবাড়ি গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে গ্রেফতার বাণিজ্য করছে।
আর তাই মিথ্যা ও সাজানো মামলার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় এনে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নির্দোষ মানুষদের হয়নারী বন্ধ করে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে কামরুজ্জামান বাচ্চুর স্ত্রী শাবানা এবং চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চাকপাড়া গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে নাজমুল হোসেনসহ স্থানীয় অসহায় পরিবার সমুহের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।